একই দামে নতুন মিডরেন্জ, নাকি পুরোনো ফ্ল্যাগশিপ! কোন ফোনটি কেনা উচিত?


আমাদের দেশে অধিকাংশ মানুষের বাজেটই ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার মাঝে। চাহিদা বেশি হবার কারণে, দেশের বাজারে এ দামের স্মার্টফোনের প্রতিযোগিতাও বেশ ভালো রকমের! তবে, অনেকেই সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন ' এবছরের মিডরেন্জ ফোন কিনবো, নাকি পুরোনো ফ্লাগশিপ কিনবো?' এই প্রশ্ন নিয়ে! তাই, আজকের ব্লগে কথা বলবো আমি এই বিষয় নিয়েই!

Buid & Design

আজকালকার মিডরেন্জ ফোনগুলোতে বেশিরভাগ সময়ই গ্লাস বডি ও সাথে গোরিলা গ্লাস ৫ এর প্রোটেকশন দেখা যায়। ফ্রেমিংটা হয় প্লাস্টিকের। তবে, এ বাজেটের ফোনগুলোতে weight distribution বা in hand feeling experience ভালো হয়না।
অপরদিকে, ফ্লাগশিপ ফোনগুলোতে মেটাল ফ্রেমিং এর সাথে বছরের সেরা প্রোটেকশন যুক্ত গ্লাস বডি ব্যবহার করা হয় সাধারণত। আর, এই ফোনগুলো হাতে নিলেই আপনি এক ধরনের প্রিমিয়াম-প্রিমিয়াম ছোঁয়া পাবেন। কারণ, এই ফোনগুলোর weight distribution ও in hand experience অনেক ভালো হয়।

Camera

আজকালকার মিডরেন্জ ফোনগুলোতে ৪টি ক্যামেরা দেওয়া একটি ট্রেন্ড হয়ে গিয়েছে, অপরদিকে দেড়-দু বছর আগে ফ্ল্যাগশিপগুলোতে ৩টি ক্যামেরা থাকতো সাধারণত।
'আপাতদৃষ্টিতে' ডে লাইটে তোলা ছবিতে অল্প পার্থক্য পাওয়া গেলেও, কম অন্ধকারে মিডরেন্জ ফোনগুলো ভালো ছবি ক্যাপচার করতে পারেনা। অপরদিকে ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোর ক্যামেরা পারফরম্যান্স কম আলোতেও আশানুরূপ থাকে।

Display

মিডরেন্জ ফোনগুলোতে সাধারণত IPS LCD ডিসপ্লে দেখা গেলেও আজকাল এখানেও এমোলেড প্যানেলের আবির্ভাব ঘটেছে।
অপরদিকে, ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোতে সবসময়ই সে সময়ের সেরা ডিসপ্লে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কালার এক্যুরেসি, ভিউয়িং অ্যাঙ্গেল- সবই ফ্ল্যাগশিপ ফোনে ভালো পাওয়া যাবে।
পুরোনো ফ্ল্যাগশিপে শুধু একটা জিনিসেরই কমতি থাকতে পারে, তা হলো বেশি রিফ্রেশরেট।

Software Experience

মিডরেন্জ ফোনে প্রায়ই সফটওয়্যার গত সমস্যা দেখা দেয়, বিশেষ করে শাওমিতে। আবার, স্যামসাং তো তাদের M সিরিজের ফোনে ইচ্ছাকৃতভাবেই বেশ কিছু দরকারি ফিচার বাদ দিয়ে দেয়।
শাওমির মিডরেন্জ ফোনে ফিচারের কমতি না থাকলেও, এড থাকে প্রচুর। অপর দিকে, ফ্ল্যাগশিপ ফোনে সফটওয়্যার ইস্যু খুব কমই দেখা যায়।
আজকের ব্লগ এ পর্যন্তই, ব্লগটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না!